গুড মর্ণিং২৪ প্রতিবেদকঃ প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভকারীরা বঙ্গভবনের সামনের নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। দিনভর কর্মসূচি পালনের পর রাতে কিছু বিক্ষোভকারী হঠাৎ নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। এ সময় আন্দোলনকারীদের বাধা দেয় নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। একপর্যায়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেন। পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।। গভীর পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের সেখানে অবস্থান করতে দেখা যায়।
রাত ৮টার কিছু পর বঙ্গভবনের সামনের ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন দুই থেকে ৩শ বিক্ষোভকারী। এ সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকটি সংগঠনের ব্যানারে সেখানে বিক্ষোভ চলছে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর থেকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে বঙ্গভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। এর মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে একদল ছাত্র এবং রক্তিম জুলাই ’২৪-এর ব্যানারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ব্যক্তিরা অবস্থান নেন। এ ছাড়া ৩৬ জুলাই পরিষদ, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ, ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার মঞ্চ এবং ছাত্র-জনতার ঐক্য মঞ্চের ব্যানারেও অনেকে বঙ্গভবনের সামনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে জানা যায়, রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে হঠাৎ বিক্ষোভকারীরা বঙ্গভবনের বাইরের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা বাধা দেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেডের বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে পুলিশ একটি সাউন্ড গ্রেনেডনিক্ষেপ করে। গ্রেনেড নিক্ষেপের পর উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুলিশ সদস্যদের ব্যারিকেডের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হলে রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একজন হ্যান্ডমাইক নিয়ে বিক্ষোভকারীদের চলে যাওয়ার অনুরোধ জানান। তবে বিক্ষোভকারীরা বঙ্গভবনের সামনে থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানান। রাতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান করছিলেন।